Blog

Congue iure curabitur incididunt consequat

মির্জা ফখরুল আপনি আগে ন্যাশনালিস্ট ক্যারেক্টার হন : কামরুল হাসান নাসিম

“জাতীয়তাবাদী হওয়ার শর্ত পূরণ করে জাতীয় রাজনীতিতে থাকতে হবে। না হলে বিচ্ছিন্নতাবাদী হয়ে যা খুশী করেন। রাষ্ট্র তখন দেখবে। মোকাবিলা করবে।” বিএনপির অকার্যকর মহাসচিব মির্জা ফখরুলের উদ্দেশ্যেই বলছি। দলের শীর্ষ তকমাধারী অবৈধ নেতৃত্বের চাকুরী করতে যেয়ে তিনি রাষ্ট্রদ্রোহী হয়ে পড়েছেন বলে মনে করার যথেষ্ঠ সুযোগ আছে।

মিয়ানমারের সাথে সাম্প্রতিক সংকট মোকাবিলায় একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষ হয়ে মির্জা ফখরুল যা বলছেন, তা বাংলাদেশের ভাবমূর্তি শুধু নষ্ট নয়, রীতিমত বিরোধীতা করার সামিল হয়ে দাঁড়ায়। মনে রাখতে হবে, যে দলই রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকুক না কেন, স্পর্শকাতর বিষয়ে সবার আগে দেশের স্বার্থ উদ্ধারে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যমতে থাকতে হবে। এমন রাজনৈতিক কৃষ্টি অনুপস্থিত থাকলে পুনরায় একাত্তরের পরাজিত শক্তির মত করে মির্জা ফখরুলেরা ভবিষ্যতেও ভিন্ন দেশের সহযোগিতা করে রাজাকারের ভুমিকায় অবতীর্ণ হবেন। তর্ক সাপেক্ষে তাঁর পিতার মত করে তিনিও রাজাকার হয়েই কি কথিত জাতীয়তাবাদকে প্রতিনিধিত্ব করতে চান?

বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের ভাষণে ‘যুদ্ধ চাই না’ বলে বক্তব্য দিলেও তার সেকথা মানায় না বলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একজন রাজাকার শাবকের মত কথা বলেছে। তাঁর এমন বক্তব্যকে হালকা ভাবে নেয়ার অবকাশ নেই। সীমান্তে যা হচ্ছে, তেমন নেতিবাচক পরিস্থিতির পেছনে মির্জা ফখরুলদের কোন রাজনৈতিক দূরভিসন্ধিমুলক উদ্দেশ্য আছে কিনা তা রাষ্ট্র একবার পরখ করুক বলেও মনে করছি।

দলের পুনর্গঠনের উদ্যোক্তা হিসাবে বলছি, জনস্বার্থে রাজনীতি করে রাজনীতির মুলধারায় ফিরুন। নতুবা, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী দলের নয়া পল্টন কেন্দ্রিয় কার্যালয়ের সামনে যেকোন সময়ে বসে যাবে জাতীয়তাবাদী জনতার উচ্চ আদালত।

দলকে পুনর্গঠন করে তখন সত্যিকারের জাতীয়তাবাদী দল হয়ে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ দাঁড় করানো যাবে। কিন্তু, বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় তথা রোহিঙ্গা ইস্যুতে দায়িত্ব নিয়ে কথা বলতে হবে, নতুবা তখন তাঁকে বা তাঁদেরকে আর রাজনীতিক বলা যাবে না। কুচক্রী হিসাবে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সমাধান খুঁজতে হবে।

মির্জা ফখরুল, আপনি নিজেকে আগে ন্যাশনালিস্ট ক্যারেক্টার হিসাবে প্রমাণ করেন। ২০০৯ থেকে বিএনপি বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর জন্য কোন রুপরেখা দিতে পারে নাই। এখন আন্দোলনের রুপরেখা দিয়ে বেড়াচ্ছেন। ঘর সামলান। ঘরের অভ্যন্তরে আগে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর সরকার দলের কাছে চান গণতন্ত্র। কামরুল হাসান নাসিম এর পুনর্গঠনের উদ্যোগকে আগে মোকাবিলা করেন। হুশিয়ারী দিয়ে জানান দিচ্ছি, রাজনীতি করার মধ্য দিয়ে নৈতিকতার সড়কে পথিক হন, তেমন পথে না হাটলে সামনের দিনে দলের লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী কর্তৃক আপনাদেরকে প্রতিহত করা হবে। রাজনৈতিক অপশক্তির ধারক হয়ে আর কত? প্রশ্ন রইল।

সুত্রঃ ডেইলি নববার্তা 

লিংকঃhttps://dailynobobarta.net/news/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%ab%e0%a6%96%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af/?fbclid=IwAR2lQlg9GClmNGnP02JwtPqT_qIL6pOVbnbE3yLWaZYHE6ORljeJzwJY9NE

5 Comments

  1. Alex TM
    April 1, 2015 at 20:27
    Reply

    Dolorum nascetur quibusdam bibendum nesciunt torquent vehicula, nostra? Nisl? Excepteur repellat provident, laboriosam! Nullam vel.

    • Alex TM
      April 1, 2015 at 20:28
      Reply

      Corporis quasi dicta voluptates, rerum vero eos quaerat, quo aliqua voluptates suspendisse quod tempus! Interdum.

      • Alex TM
        April 1, 2015 at 20:28
        Reply

        Egestas molestias erat impedit blanditiis quam, proident rutrum iste? Illum? Aenean proin. Nostrum pretium, commodi.

Leave a Reply

Close
Close